3

বিয়ের পাত্র-পাত্রীর মাঝে দুনিয়াবী বৈশিষ্ট্য খোঁজা

প্রশ্ন: 125907

জনৈক ব্যক্তি আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসে এই হাদীসটি উল্লেখ করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “নারীকে চার কারণে বিয়ে করা হয়: তার দ্বীনদারিতা, তার ধন-সম্পদ, তার সৌন্দর্য ও তার বংশের জন্য। তুমি দ্বীনদার নারীকে বিয়ে করো; তাহলে সফলকাম হবে।” আমার প্রশ্ন হচ্ছে: একজন নারী কি ঐ একই কারণের ভিত্তিতে কোনো পুরুষকে বিবাহ করতে পারে? যদি সেটা জায়েয হয়, তাহলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন এই হাদীসেই সেটি উল্লেখ করলেন না? নাকি হাদীসটি শুধু পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট; নারীদের জন্য না? আর নারীর জন্য স্বামী বাছাই করা প্রসঙ্গে আমি একটি হাদীস পড়েছি যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কাছে যদি এমন কেউ আসে যার দ্বীনদারিতা ও চরিত্রের ব্যাপারে তোমরা সন্তুষ্ট, তাহলে তোমরা তাকে বিবাহ করিয়ে দিও।  যদি এমনটি না করো তাহলে পৃথিবীতে ফিতনা ও বড় অনিষ্ট হবে।” নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন পুরুষের জন্য মাত্র একটি বৈশিষ্ট্য তথা দ্বীনদারিতা উল্লেখ করলেন? কেন বাকি বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করলেন না যেগুলো নারীর ক্ষেত্রে উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছিলেন যে নারীকে চার কারণে বিবাহ করা হয়? প্রথম হাদীসটি কি নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা জায়েয হবে? কেন কেবল পুরুষকে নির্দিষ্ট করা হলো?

উত্তর

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের প্রতি। পর সমাচার:

আমাদের প্রথমে স্পষ্ট করা উচিত যে ইসলামী শরীয়ত নেককার দ্বীনদার স্ত্রী খোঁজ করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করেছে। অনুরূপভাবে নেককার দ্বীনদার স্বামী খোঁজার ব্যাপারেও। কারণ দ্বীনদারিতা প্রথম ও প্রধান উদ্দেশ্য। অন্যান্য যে সমস্ত বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন সৌন্দর্য, অর্থ-কড়ি, বংশ-মর্যাদা সেগুলো দ্বীনদারিতার অনুগামী। সেগুলো সত্তাগতভাবে নিন্দনীয় নয়; আবার মৌলিকভাবে উদ্দিষ্টও নয়। কিন্তু এগুলো পূর্ণতা দানকারী বৈশিষ্ট্য; যা পাওয়া গেলে সেটি পূর্ণ গনীমত, আর না পাওয়া গেলে দ্বীনদারিতাই সকল কল্যাণের মাপকাঠি।

এর সপক্ষে প্রমাণ হচ্ছে সুন্নাহতে স্ত্রীর মধ্যে এমন কিছু গুণাবলি থাকার প্রশংসা করা। তার মধ্যে রয়েছে আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে প্রাপ্ত বর্ণনা, তিনি বলেন: জিজ্ঞাসা করা হলো: ‘হে আল্লাহর রাসূল, কোন নারী উত্তম?’ তিনি বললেন: “যে নারীর দিকে তাকালে ব্যক্তি আনন্দিত হয়, যাকে আদেশ দিলে সে মেনে চলে এবং যে তার নিজের ব্যাপারে ও স্বামীর অর্থের ব্যাপারে স্বামীর অপছন্দনীয় কিছু করার মাধ্যমে তার সাথে দ্বিমত করে না করে না।[হাদীসটি ইমাম আহমদ (২/২৫১) বর্ণনা করেন এবং শাইখ আলবানী ‘আস-সিলসিলাতুস সহীহা’ গ্রন্থে (১৮৩৮) হাদীসটিকে সহিহ বলে গণ্য করেন]

একই বক্তব্য স্বামীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মূলতঃ নেককার তাকওয়াবান ব্যক্তির সাথে বিয়ে প্রত্যাশা করাটাই কাম্য। যে গুণের কথা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিম্নোক্ত হাদীসে এসেছে: “যার দ্বীনদারিতা ও চরিত্রের ব্যাপারে তোমরা সন্তুষ্ট।” এর সাথে যদি সৌন্দর্য, অর্থ-সম্পদ এবং বংশীয় মর্যাদা যুক্ত হয় তাহলে সেটি আল্লাহর নিয়ামত। পুরুষ যদি নিজের সম্পদ নষ্ট করে এবং স্ত্রীর জন্য ব্যয় করার সক্ষমতা তার না থাকে তাহলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটাকে তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ না হওয়ার কারণ হিসেবে গণ্য করেছেন। এটি ফাতেমা বিনতে কাইস রাদিয়াল্লাহু আনহা কর্তৃক বর্ণিত হাদিসে উদ্ধৃত হয়েছে। তিনি বলেন: “আমি যখন পবিত্র হলাম তখন আমি তাঁর কাছে (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে) উল্লেখ করলাম যে, আমাকে মুআবিয়া বিন আবু সুফিয়ান ও আবু জাহম বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। তখন তিনি বললেন: আবু জাহমের লাঠি তার কাঁধের উপর থেকে নামে না। আর মুআবিয়া নিঃস্ব-দরিদ্র; তার কোন ধন-সম্পদ নেই। বরং তুমি উসামা বিন যায়েদকে বিয়ে কর।”[হাদীসটি মুসলিম (১৪৮০) বর্ণনা করেছেন]

আল্লামা সাদী রাহিমাহুল্লাহ বলেন: ‘যদি দ্বীনদারিতার সাথে অন্য বৈশিষ্ট্যও থাকে তাহলে তার কাছে বিয়ে দিবে। নতুবা দ্বীনদারিতাই সবচেয়ে কাম্য বৈশিষ্ট্য।”[সমাপ্ত][বাহজাতু কুলূবিল আবরার ওয়া-কুর্‌রাতু উয়ূনিল আখইয়ার ফী-শারহি জাওয়ামি’ইল আখবার (পৃ. ১২০)]

উপর্যুক্ত কথা স্পষ্ট হয়ে থাকলে যে প্রশ্ন করা হয়েছে আমাদের সে প্রশ্নের উত্তর জানা হয়ে গেল। আমরা জানতে পারলাম যে বিয়ের পাত্র-পাত্রীর অর্থ-সম্পদ, বংশমর্যাদা ও সৌন্দর্য অধিকাংশ মানুষের কাছে আকাঙ্ক্ষিত বিষয়; সে মুমিন হোক কিংবা কাফের হোক। এগুলোর প্রতি আগ্রহ মানুষের স্বভাব-প্রকৃতিতে প্রোথিত। শরীয়ত এর বিরোধিতা করে না। শরিয়ত এগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেনি; কারণ মানুষ স্বভাবগতভাবে এগুলোর ব্যাপারে তৎপর এবং এগুলোর প্রতি আকাঙক্ষী। এমনকি তারা এগুলোর ব্যাপারে চরম বাড়াবাড়িও করে। অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর প্রতি তারা অবহেলা করে। তাই মানুষ যে ব্যাপারে উদাসীন থাকে বা অবহেলা করে শরীয়ত সেটার প্রতি তাগিদ প্রদান করেছে। শরীয়তের মানদণ্ডে সেটাই সবচেয়ে কাম্য বৈশিষ্ট্য। এর মাধ্যমে একজন নেককার মুমিনের পথ অন্যান্যদের পথ থেকে আলাদা হয়ে যায়।

তাই তো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রসিদ্ধ হাদীসে বলেছেন: “নারীকে চার কারণে বিবাহ করা হয়: তার ধন-সম্পদ, তার বংশ-মর্যাদা, তার সৌন্দর্য ও তার দ্বীনদারিতা। তুমি দ্বীনদার নারীকে বিয়ে করো তাহলে সফলকাম হবে।”[হাদীসটি বুখারী (৫০৯০) এবং মুসলিম (১৪৬৬) উল্লেখ করেন]

ইমাম নববী রাহিমাহুল্লাহ বলেন: ‘উক্ত হাদীসের সঠিক অর্থ হচ্ছে: সাধারণতঃ মানুষ যা করে থাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা উল্লেখ করেছেন। তারা এই চারটি বৈশিষ্ট্যকে সন্ধান করে থাকে। তাদের কাছে দ্বীনদারিতার অবস্থান সবার শেষে। ওহে সঠিক পথ অন্বেষী! তুমি দ্বীনদার নারীকে অন্বেষন করো। এমনটি নয় যে তিনি তাকে বিয়ে করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।’[শারহু মুসলিম (১০/৫১-৫২)]

তিনি আরো বলেন: ‘এর অর্থ হচ্ছে: সাধারণতঃ মানুষ পাত্রীর মাঝে এই চারটি বৈশিষ্ট্য খুঁজে থাকে। তুমি দ্বীনদার নারীকে বিয়ে করো এবং তার সাহচর্যের ব্যাপারে আগ্রহী হও।’[সমাপ্ত][রিয়াদুস সালিহীন: (পৃ. ৪৫৪)]

কুরতুবী রাহিমাহুল্লাহ বলেন: ‘এই চারটি বৈশিষ্ট্যই নারীকে বিয়ে করার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করে। পুরুষেরা পাত্রীর এ গুণগুলো তালাশ করে। তাই হাদীসটি বাস্তব অবস্থার বিবরণ; নির্দেশ প্রদান নয়। হাদীসটির বাহ্যিক অর্থ হচ্ছে এই সমস্ত বৈশিষ্ট্য কিংবা এগুলোর মধ্যে যে কোনো একটিকে উদ্দেশ্য করে বিয়ে করা হয়। কিন্তু দ্বীনদারিতাকে উদ্দেশ্য করা অধিক যুক্তিযুক্ত ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ।’[আল-মুফহিম লিমা আশকালা মিন তালখীসি সহীহি মুসলিম (৪/২১৫)]

শাফেয়ী ফকীহ শাইখ সুলাইমান ইবনে মানসুর আল-উজাইলী আল-জামাল বলেন: ‘কেউ কেউ এই হাদীস দিয়ে দলীল দিয়েছেন যে পাত্রীর জন্য সুন্দরী হওয়া মুস্তাহাব। যারকাশী এতে আপত্তি করে বলেন: এই হাদীস দিয়ে পাত্রী সুন্দরী হওয়ার পক্ষে দলীল পেশ করা অদ্ভুত। কারণ এটি মানুষের লোকাচারের বর্ণনা। এখানে তিনি সুন্দরী নারীকে বিয়ে করার নির্দেশ দেননি। এই আপত্তি স্পষ্ট। অনুরূপভাবে এতে সম্পদশালী, সুন্দরী ও সদ্বংশীয়া নারীকে বিয়ে করার নির্দেশও নেই।’[সমাপ্ত][ফুতুহাতুল ওয়াহ্‌হাব বি-তাওদ্বীহি শারহি মানহাজিত্তুল্লাব (৪/১১৮) যা হাশিয়াতুল জামাল নামে প্রসিদ্ধ]

কিছু আলেম মনে করেন এই বৈশিষ্ট্যগুলো শরীয়তের দৃষ্টিতে কাম্য। একজন বিয়ের পাত্রের জন্য পাত্রীর মধ্যে এ গুণগুলো অন্বেষণ করা মুস্তাহাব। তবে শর্ত হচ্ছে দ্বীনদারিতা যেন মূল হয় এবং দ্বীনদারিতার সাথে অন্যান্য বৈশিষ্ট্য যেন সাংঘর্ষিক না হয়। যদি সাংঘর্ষিক হয় তাহলে অবশ্যই দ্বীনদারিতা অগ্রাধিকার পাবে।

ইবনে হাজার রাহিমাহুল্লাহ বলেন: ‘উক্ত হাদীস থেকে এই শিক্ষা গ্রহণ করা যায় যে: সদ্বংশীয় পুরুষের জন্য সদ্বংশীয়া নারী বিয়ে করা মুস্তাহাব। তবে যদি সদ্বংশীয়া কিন্তু দ্বীনদার নয় এমন নারী এবং সদ্বংশীয়া নয় কিন্তু দ্বীনদার নারীর মাঝে প্রাধান্য দিতে হয় তাহলে দ্বীনদার নারীকে প্রাধান্য দিতে হবে। অন্য বৈশিষ্ট্যগুলোর ক্ষেত্রেও এ কথা প্রযোজ্য।

‘তার সৌন্দর্যের কারণে’ কথাটি থেকে এই শিক্ষা গ্রহণ করা যায় যে: সুন্দরী নারী বিবাহ করা মুস্তাহাব। তবে যদি দ্বীনদার নয় এমন সুন্দরী এবং সুন্দরী নয় এমন দ্বীনদার নারীর মাঝে প্রাধান্য দিতে হয়, তাহলে দ্বীনদার প্রাধান্য পাবে। যদি দুজনের দ্বীনদারিতা সমান হয়, তাহলে সুন্দরী অগ্রাধিকার পাবে। সুন্দরী নারীর মাঝে সুন্দর বৈশিষ্ট্যের অধিকারী নারীও অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়াও আরো একটি বৈশিষ্ট্য কাম্য সেটি হচ্ছে নারীর মোহরানা কম হওয়া।

‘তুমি দ্বীনদার নারীকে বিয়ে করো’ উক্ত বক্তব্যের সমার্থক বক্তব্য জাবের (রাঃ) এর হাদীসে এভাবে এসেছে: ‘তুমি দ্বীনদার নারীকেই আঁকড়ে ধরো।’ এর অর্থ হচ্ছে দ্বীনদার ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে সকল কিছুতে দ্বীনদারিতাই লক্ষ্য হওয়া উচিত। বিশেষ করে যে ক্ষেত্রে সাহচর্য দীর্ঘ সময় হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দ্বীনদারি সম্পন্ন নারী বিয়ে করতে উৎসাহ দিয়েছেন; যেহেতু দ্বীনদারি চূড়ান্তরূপে কাম্য। ইবনে মাজাহ আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একটি মারফু হাদীস বর্ণনা করেন: (বর্ণনাটিতে দুর্বলতা রয়েছে) ‘তোমরা সৌন্দর্যের কারণে নারীদেরকে বিয়ে করো না। কারণ তাদের সৌন্দর্য তাদেরকে ধ্বংস করে দিতে পারে। তোমরা সম্পদের কারণে নারীদেরকে বিয়ে করো না। তাদের অর্থ-সম্পদ তাদেরকে উদ্ধত করে তুলতে পারে। কিন্তু দ্বীনদারিতার জন্য বিয়ে করো। অবশ্যই একজন কৃষ্ণবর্ণের দ্বীনদার দাসী উত্তম।’[সংক্ষেপে সমাপ্ত][ফাতহুল বারী (৯/১৩৫-১৩৬)]

শাফেয়ী মাযহাবের বহু গ্রন্থে এই হাদীস দিয়ে সুন্দরী নারী বিয়ে করা মুস্তাহাব হওয়ার মত প্রদান করেছে।

হাম্বলী মাযহাবের অন্যতম গ্রন্থ শারহু মুন্তাহাল ইরাদাত (২/৬২৩)-এ উল্লেখ আছে: ‘পূর্বোক্ত বর্ণনার (হাদীসের) কারণে সুন্দরী নারী বাছাই করা সুন্নত।’[সমাপ্ত]

বিষয়টি ইন শা আল্লাহ প্রশস্ত। যতক্ষণ পর্যন্ত পাত্র-পাত্রীর প্রধান টার্গেট হবে অভিন্ন তথা দ্বীনদারিতা যতক্ষণ অন্যান্য দুনিয়াবী বৈশিষ্ট্য নিন্দনীয় নয়; বরং প্রশংসনীয়।

নারীদের ক্ষেত্রে যে বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ করা হলো সে সব বৈশিষ্ট্য পুরুষদের ক্ষেত্রে উল্লেখ না করার কারণ নারী-পুরুষের মাঝে পার্থক্য করা নয়। বরং এর কারণ এই যে, সাধারণতঃ পুরুষই স্ত্রীর খোঁজ করে এবং পাত্রীর মাঝে নিজের কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য অনুসন্ধান করে। আর নারী তার কাছে আগত পাত্রের বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে ভাবে। তাই ‘নারীকে চার কারণে বিয়ে করা হয়’ শীর্ষক হাদীসে মানুষ ব্যাপকভাবে যাতে অভ্যস্ত সেটার উপর ভিত্তি করে বক্তব্য দেয়াটাই ছিল প্রাসঙ্গিক; স্বল্প ও ব্যতিক্রমের উপর ভিত্তি করে নয়।

তাছাড়া শরীয়তের অধিকাংশ বক্তব্য পুরুষকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া হয়। উসূলবিদরা মনে করেন যে পুরুষকে উদ্দেশ্য করে প্রদত্ত সকল বক্তব্য নারীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য; যদি না এর বিপরীত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়। সকল শরয়ি বিধানের ক্ষেত্রে পুরুষদের জন্য একটি, আবার নারীদের জন্য পৃথক একটি বক্তব্য আসা আবশ্যক নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো বলেছেনই: “নারীরা পুরুষদের মতোই।”[হাদীসটি তিরমিযী (১১৩) ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেন। শাইখ আলবানী সহিহুল জামে’ গ্রন্থে এটিকে সহিহ বলে গণ্য করেন]

আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

সূত্র

সূত্র

ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব

at email

নিউজলেটার

ওয়েবসাইটের ইমেইল ভিত্তিক নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন

phone

ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব অ্যাপ্লিকেশন

কন্টেন্টে আরও দ্রুত পৌঁছতে ও ইন্টারনেট ছাড়া ব্রাউজ করতে

download iosdownload android