নতুন প্রশ্নোত্তর
জনৈক খ্রিষ্টানের সাথে ঐকান্তিক সংলাপ
ইসলামী আকীদা সম্পর্কিত কিছু বিষয়: ১. জান্নাতের নিয়ামত শুধু শারীরিক বা ইন্দ্রিয়গত নয়; বরং আত্মিকও। সেটা হলো অন্তরের প্রশান্তির মাধ্যমে, আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্টি ও আল্লাহর নৈকট্যে মাধ্যমে। বরং জান্নাতের সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত হলো মহান আল্লাহকে স্বচক্ষে দেখা। ২. ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা শুধু বর্জনের (কিছু না করার) নির্দেশ দেয় না; বরং কাজ করারও নির্দেশ দেয়। তাই মুক্তিলাভ শুধু নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকলেই অর্জিত হবে না; বরং ফরয কাজগুলো পালন করতে হবে এবং হারাম থেকে বিরত থাকতে হবে। সুতরাং ইসলাম হচ্ছে নির্দেশিত কার্যাবলী পালন করা এবং নিষিদ্ধ কার্যাবলী বর্জন করা। ৩. ইসলাম নিশ্চয়তা দেয় যে, প্রত্যেক নিষ্ঠাবান মুসলিম যে মৃত্যু অবধি আল্লাহর আনুগত্যের উপর অবিচল থাকবে সে অবশ্যই নিশ্চিতভাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। ৪. মানুষের পাপ সম্পর্কে ইসলামী বিশ্বাস হলো: একজন ব্যক্তি নিজের কৃতকর্মের দায় নিজে বহন করবে; অন্য কেউ এর দায় বহন করবে না। অনুরূপভাবে সে নিজে অন্যের কৃতকর্মের দায় বহন করবে না। ৫. ইসলামে প্রবেশের চাবিকাঠি মাত্র দুটি বাক্য: “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো উপাস্য নেই” এবং “মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।” এই ঘোষণার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মুসলিম হতে পারে। এর জন্য বাপ্তিস্ম, যাজক বা কোনো নির্দিষ্ট স্থানে (মসজিদ বা অন্য কোথাও) যাওয়ার প্রয়োজন নেই।সংরক্ষণ করুনযে নারীর অপারেশন হওয়ার কারণে হায়েয থেকে পবিত্রতার গোসল করতে পারছেন না; তিনি কি তায়াম্মুম করবেন?
সংরক্ষণ করুনদুই ঈদের নামাযের হুকুম
সংরক্ষণ করুনহজ্জ ও উমরার কার্যাবলি ও সেগুলোর ধারাবাহিকতায় নিহিত প্রজ্ঞা
সংরক্ষণ করুনস্থাবর সম্পত্তির যাকাতের অবস্থা ও বিধি-বিধানের সারসংক্ষেপ
সংরক্ষণ করুনকুরবানীর পশুর ক্ষেত্রে যে বয়স মেনে চলা ওয়াজিব
শরয়ি দলীলসমূহ প্রমাণ করে যে ছয় মাস বয়সী ভেড়া, এক বছর বয়সী ছাগল, দুই বছর বয়সী গরু ও পাঁচ বছর বয়সী উট কুরবানী করা জায়েয। এর চেয়ে কম বয়সী হলে হাদী কিংবা কুরবানী হিসেবে জায়েয হবে না।সংরক্ষণ করুনযে ব্যক্তি অনেকবার কসম করেছে; কিন্তু সেগুলোর কাফ্ফারা আদায় করেনি
সংরক্ষণ করুন'ইয়ামিনে গামূস' যা কেবল খাঁটি তাওবার মাধ্যমেই মোচন হয়
সংরক্ষণ করুনপবিত্র কুরআনের ব্যাপারে সলফে সালেহীন এর আকিদা
সংরক্ষণ করুনমানতের প্রকারভেদ ও বিধি-বিধানের সারসংক্ষেপ
মানত হচ্ছে শরীয়তের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিজের উপর কোনো কিছু আবশ্যক করা, হোক সেটি (তৎক্ষণাৎ) কার্যকর কিংবা (কিছুর সাথে) শর্তযুক্ত। শরীয়তসম্মত মানত পূরণ করা ওয়াজিব। কারণ আল্লাহ বলেছেন: “এরপর তারা যেন নিজেদের ময়লাগুলো দূর করে এবং মানতগুলো পূরণ করে।”[সূরা হজ্জ, আয়াত: ২৯] মানতের প্রকারসমূহ: ১. যে মানত পূরণ করা ওয়াজিব। এটি হচ্ছে আল্লাহর আনুগত্যমূলক মানত। ২. যে মানত পূরণ করা জায়েয নেই এবং যাতে শপথের কাফ্ফারা রয়েছে। এতে অন্তর্ভুক্ত হয়: আল্লাহর অবাধ্যতার মানত, শরিয়তের সুস্পষ্ট বক্তব্যের সাথে সাংঘর্ষিক প্রত্যেক মানত, শপথ ভঙ্গের কাফ্ফারা ছাড়া আর কোনো হুকুম নেই এমন মানত এবং যে মানত পূরণ করা ও শপথের কাফ্ফারা দেওয়ার মাঝে যে কোনো একটি বাছাই করার সুযোগ রয়েছে।সংরক্ষণ করুন