নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে দিন কাটাতেন?

প্রশ্ন: 197199

নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে তার দিন কাটাতেন (অর্থাৎ তার দৈনন্দিন জীবনের একটি নমুনা)? মূলতঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের দৈনন্দিন রুটিন জানতে চাই। তিনি ফজরের পর কী করতেন? কীভাবে ও কখন সকালের নাস্তা করতেন? খাদ্যের ক্ষেত্রে তার শিষ্টাচার কী ছিল? তিনি যোহরের সময় থেকে শুরু করে ঘুমিয়ে পড়া পর্যন্ত এবং তাহাজ্জুদের পরে কী করতেন? সারকথা হলো আমি নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ডেইলি রুটিন জানতে চাই।

উত্তর

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের প্রতি। পর সমাচার:

ফজর উদিত হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে তাঁর সাহাবীদের নিয়ে ফজরের নামায পড়তেন। তারপর জায়নামাযে বসে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর যিকির করতেন। সাহাবীরা রাদিয়াল্লাহু আনহুম তাঁর সাথে বসতেন। কখনো তারা জাহেলী নানান বিষয় উল্লেখ করত; এতে করে তারা হাসত এবং তিনি মুচকি হাসতেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাশতের নামায পড়ার সুন্নত জারী করেছেন। তিনি চার রাকাত কিংবা তার বেশি রাকাত চাশত পড়তেন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাশতের নামায চার রাকাত পড়তেন এবং আল্লাহ যতটুকু চান ততটুকু এর উপর বৃদ্ধি করতেন।”[হাদীসটি মুসলিম (৭১৯) বর্ণনা করেন]

অন্যদিকে নিজ পবিত্র ঘরে তিনি তার পরিবারের কাজ করতেন। বকরির দুধ দোয়াতেন, কাপড়ে তালি দিতেন, নিজের খেদমত করতেন, জুতা সেলাই করতেন। নামাযের সময় হলে তিনি নামাযের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যেতেন এবং মানুষদের নিয়ে নামায পড়তেন। তারপর তাদের সাথে বসে কথা বলতেন, তাদেরকে ইলম শেখাতেন, উপদেশ দিতেন, ওয়াজ করতেন, অভিযোগ শুনতেন এবং মীমাংসা করতেন। এরপর ঘরে ফিরে যেতেন।

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে কী করতেন?’ তিনি বলেন: ‘তিনি মানুষদের মতোই মানুষ ছিলেন। কাপড় সেলাই করতেন, বকরির দুধ দোয়াতেন। নিজের সেবা নিজে করতেন।’[হাদীসটি আহমদ (২৬১৯৪) বর্ণনা করেন। শাইখ আলবানী ‘সহিহাহ’ (৬৭১) গ্রন্থে এটিকে সহিহ বলে গণ্য করেন]

মুসনাদে আহমদে (২৪৯০৩) অন্য বর্ণনায় আছে: “তিনি তার কাপড় সেলাই করতেন, জুতা সেলাই করতেন এবং পুরুষেরা তাদের ঘরে যে কাজ করে সে কাজ করতেন।”[হাদীসটি শাইখ আলবানী ‘সহিহুল জামে’ (৪৯৩৭) গ্রন্থে এটিকে সহিহ বলে গণ্য করেন]

বুখারী (৬৭৬) বর্ণনা করেন: আসওয়াদ বলেন: আয়েশাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ঘরে কী করতেন? তিনি বলেন: ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে নিজ পরিবারের খেদমত করতেন। নামাযের সময় হলে তিনি নামাযের জন্য বেরিয়ে যেতেন।’

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো কোনো খাবারের দোষ-ত্রুটি ধরতেন না। যদি ভালো লাগত তিনি সে খাবার খেতেন। আর ভালো না লাগলে তিনি সেটি পরিত্যাগ করতেন।

কখনো এমন হত যে মাসের পর মাস চলে যেত কিন্তু তিনি খেজুর ও পানি ছাড়া খাওয়ার মতো কিছু পেতেন না।

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো কোনো খাবারের দোষ ধরেননি। ভালো লাগলে খাবার খেয়েছেন, আর না লাগলে পরিত্যাগ করেছেন।[হাদীসটি বুখারী (৩৫৬৩) ও মুসলিম (২০৬৪) বর্ণনা করেন]

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ‘আমরা নতুন চন্দ্র দেখতাম, তারপর আবার নতুন চন্দ্র দেখতাম। এভাবে দুই মাসে তিনটি নতুন চন্দ্র দেখতাম। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘরে আগুন জ্বলত না। তিনি (উরওয়া ইবনুয যুবাইর) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘খালা! আপনারা কী দিয়ে জীবনধারণ করতেন?’ তিনি বললেন, ‘দুটো কালো বস্তু দ্বারা— খেজুর ও পানি। তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের কিছু আনসারী প্রতিবেশী ছিল। তাদের দুগ্ধবতী উটনী ও বকরী ছিল। তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য সেগুলো দোহন করে এর দুধ তাঁর কাছে প্রেরণ করতেন এবং তিনি আমাদেরকে তাই পান করাতেন।’[হাদীসটি বুখারী (২৫৬৭) ও মুসলিম (২৯৭২) বর্ণনা করেন]

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন বেলা কী খাবার খেতেন তার বিবরণ সুন্নাহতে নেই।

প্রথম যামানার মুসলিমদের প্রতিদিন তিনবার খাওয়ার অভ্যাস ছিল না; যেমনটা বর্তমান যামানার মানুষের অভ্যাস। তাদের সর্বোচ্চ খাবার ছিল দু'টি। একটি দিনের শুরুতে, যেটাকে غداء বলা হত। কেননা এটি দিনের শুরুতে খাওয়া হত। অন্যটি ছিল রাতের খাবার যাকে নৈশভোজ (عشاء) বলা হত।

তিনি যদি মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ের জন্য একত্র করতে চাইতেন, তাহলে কোনো একজনকে নির্দেশ দিতেন যেন সে ডেকে বলে: ‘নামাযের জন্য জামায়াত হচ্ছে’ তারপর তাদেরকে যে উদ্দেশ্যে ডেকেছেন সেটি নিয়ে কথা বলতেন। কাউকে কোথাও পাঠাতে চাইলে পাঠিয়ে দিতেন। তাদেরকে কিছু বলতে চাইলে বলতেন। কাউকে শরীয়তের কোনো নতুন বিধানের খবর দিতে চাইলে দিতেন ইত্যাদি।

দিনের মধ্যভাগে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমিয়ে নিতেন যাতে করে এর দ্বারা তিনি কিয়ামুল্লাইল তথা রাতের নামাযের ক্ষেত্রে শক্তি পান। তিনি বলতেন: “তোমরা দুপুরে বিশ্রাম নাও; কেননা শয়তান দুপুরে বিশ্রাম নেয় না।”[হাদীসটি ত্বাবারানী ‘আল-আওসাত্ব’ (২৮)-এ বর্ণনা করেন, শাইখ আলবানী ‘সহিহাহ’ (১৬৪৭) গ্রন্থে এটিকে হাসান বলে গণ্য করেন]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের জীবিকা, লেনদেন এবং বাজার-সদাইয়ের খোঁজ-খবর নিতেন। তাদের সভা-বৈঠকে উপস্থিত হতেন। অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যেতেন এবং কেউ দাওয়াত দিলে তার ডাকে সাড়া দিতেন। দুর্বল ও মিসকীনের প্রয়োজন পূরণে ছুটে যেতেন। দিনের অধিকাংশ সময় তিনি দ্বীনি বিষয়ে এবং মুসলিমদের উপকারে কাটাতেন। যেমন: দাওয়াত দান, উপদেশ প্রদান, নসীহত করা, শরীয়তের বিধান আরোপ করা, জিহাদ, সৎকাজের আদেশ দান, অসৎকাজে বাধা প্রদান, দুস্থ ব্যক্তিকে সাহায্য করা প্রভৃতিতে।

মুসলিম (১০২) বর্ণনা করেন: আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি খাদ্যের স্তূপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি স্তূপের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দিলে হাতের আঙুলগুলো ভিজে যায়। তখন তিনি বললেন: ‘হে খাদ্যের মালিক! এ কি ব্যাপার?’ লোকটি বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! এতে বৃষ্টির পানি লেগেছে।’ তিনি বললেন, “সেগুলো তুমি স্তূপের ওপরে রাখলে না কেন? তাহলে লোকেরা দেখে নিতে পারতো। জেনে রাখো, যে ব্যক্তি জালিয়াতি করে আমার সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই।’

বাইহাকী (২০৮৫১) বর্ণনা করেন: জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: ‘চলো আমরা বনু ওয়াক্বেফের ঐ চক্ষুষ্মান লোকটিকে (রোগী হিসেবে) দেখতে যাই।’ লোকটি অন্ধ ছিল।[শাইখ আলবানী ‘সিলসিলাতুস সহিহা’ (৫২১) গ্রন্থে এটিকে সহিহ বলে গণ্য করেছেন]

নাসাঈ (১৪১৪) বর্ণনা করেন: আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা বলেন: ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশি বেশি যিকির করতেন, অনর্থক কথা কম বলতেন, নামাযকে দীর্ঘ করতেন এবং খুতবাকে সংক্ষিপ্ত করতেন। তিনি বিধবা ও মিসকীন লোকের সাথে হেঁটে গিয়ে তার প্রয়োজন পূরণ করতে কুণ্ঠাবোধ করতেন না।’[হাদীসটি শাইখ আলবানী সহিহুন নাসাঈতে সহিহ বলে গণ্য করেছেন]

রাত হলে তিনি লোকদের নিয়ে এশার নামায পড়তেন। যদি তাঁর কাছে মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় থাকত তাহলে বড় বড় সাহাবীদেরকে সাথে নিয়ে তিনি সে বিষয়ে আলোচনা করতেন। নতুবা পরিবারের সাথে খানিকক্ষণ আলাপ-সালাপ করতেন।

ইমাম আহমদ (১৭৮) ও তিরমিযী (১৬৯) বর্ণনা (তিনি এটিকে হাসান বলে গণ্য করেন) করেন, উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা আবু বকরের সাথে মুসলিমদের কোনো ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতেন। আমিও তার সাথে থাকতাম।[হাদীসটি শাইখ আলবানী ‘সহিহুত তিরমিযী’তে বর্ণনা করেন]

ইবনে কাসীর রাহিমাহুল্লাহ বলেন: ‘তার অন্যতম চরিত্র ছিল এই যে, তিনি উত্তম সঙ্গী ছিলেন। সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন। পরিবারের সাথে তিনি হাসি-মজা করতেন। তাদের সাথে কোমল আচরণ করতেন। পরিবারের জন্য প্রশস্ত হাতে খরচ করতেন। স্ত্রীদের সাথে হাসাহাসি করতেন। ... যে স্ত্রীর ঘরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাত কাটাবেন, সেখানে সব স্ত্রীরা একত্রিত হত। কখনো তাদের সাথে রাতের খাবার খেতেন। তারপর প্রত্যেকে নিজ নিজ ঘরে চলে যেত। তিনি তাঁর স্ত্রীর সাথে এক চাদরের নিচে ঘুমাতেন। কাঁধ থেকে চাদর সরিয়ে ফেলে কেবল লুঙ্গি পরে ঘুমাতেন। এশার নামায পড়ার পর ঘুমানোর আগে ঘরে ঢুকে কিছুক্ষণ পরিবারের সাথে আলাপ করতেন। এর মাধ্যমে তিনি তাদের একঘেঁয়েমি দূর করতেন। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।’[তাফসীরে ইবনে কাসীর (২/২৪২) থেকে সমাপ্ত]

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের শুরুর দিকে ঘুমাতেন। তারপর রাতে নামায পড়ার জন্য উঠে যেতেন। আল্লাহ যতক্ষণ চাইত তিনি নামায পড়তেন। অবশেষে বেলাল (রাঃ) যখন ফজরের আযান দিত তখন তিনি দুই রাকাত নামায পড়ে ফজরের নামাযের উদ্দেশে বেরিয়ে যেতেন।

আবু দাউদ (৫৬) বর্ণনা করেন: আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য অযু এবং মিসওয়াক রাখা হত। তিনি যখন রাতে নামায পড়ার জন্য উঠতেন তখন প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার পর মিসওয়াক করতেন।

ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন: একবার আমি আমার খালা মাইমূনা রাদিয়াল্লাহু আনহার বাড়িতে রাত কাটালাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এশার পর) কিছু সময় তাঁর স্ত্রী মাইমূনার সঙ্গে কথাবার্তা বললেন। তারপর শুয়ে পড়েন। যখন রাত্রের শেষ তৃতীয়াংশ হয় তখন তিনি সজাগ হয়ে বসলেন। তারপর আসমানের দিকে তাকিয়ে তিলাওয়াত করলেন: إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَاخْتِلاَفِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ لَآيَاتٍ لِأُولِي الأَلْبَابِ । এরপর তিনি উঠে গিয়ে অযু করলেন ও মিসওয়াক করলেন। তারপর এগারো রাকাত নামায পড়লেন। তারপর বেলাল আযান দিলেন। তখন তিনি দুই রাকাত নামায পড়লেন। এরপর তিনি বেরিয়ে গেলেন এবং ফজরের নামায পড়লেন।[হাদীসটি বুখারী (৪৫৬৯) ও মুসলিম (৭৬৩) বর্ণনা করেন]

সারকথা হলো:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন কোনো একঘেঁয়ে রুটিনে সীমাবদ্ধ ছিল না; যেমনটি এই আর্টিকেল পড়ে মনে হতে পারে। বরং তার জীবন ছিল অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত এবং বরকতময় আমল; ঠিক যেভাবে তাঁর রব তাকে নির্দেশ দিয়েছেন:

قُلْ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِين

“বলুন, আমার নামায, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ জগতসমূহের রব আল্লাহর জন্য।”[সূরা আনআম: ১৬২]

তাই তার আদর্শ ছিল আল্লাহর নির্দেশ ও শরীয়তের বাস্তব আমল; যেমনটি বলেছেন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা। সহিহ মুসলিমে (৭৪৬) বর্ণিত হয়েছে: সাদ ইবনে হিশাম ইবনে আমের একবার উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে বলেন: ‘হে মুমিনদের মাতা! আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র সম্পর্কে বলুন।’ তিনি বললেন: ‘তুমি কি কুরআন পড় না?’ সাদ বলল: ‘অবশ্যই।’ তখন আয়েশা বলল: ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র ছিল কুরআন।”

খাদ্যের ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ জানতে (6503) নং প্রশ্নোত্তর দেখুন।

ঘুমের ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ জানতে (21216) নং প্রশ্নোত্তর দেখুন।

ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ জানতে (134621) নং প্রশ্নোত্তর দেখুন।

পোশাকের ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ জানতে (126692) নং প্রশ্নোত্তর দেখুন।

আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

সূত্র

সূত্র

ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব

answer

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নোত্তরসমূহ

at email

নিউজলেটার

ওয়েবসাইটের ইমেইল ভিত্তিক নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন

phone

ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব অ্যাপ্লিকেশন

কন্টেন্টে আরও দ্রুত পৌঁছতে ও ইন্টারনেট ছাড়া ব্রাউজ করতে

download iosdownload android